দেশপ্রেমের পাটিগণিতে কৃষি আইনের ফর্মুলা

 

 

দেশপ্রেমের পাটিগণিতে কৃষি আইনের ফর্মুলা


কুকুর বিড়াল পথে পড়ে থাকে। ভারতের কৃষক সমাজও পথে পড়ে রয়েছে। আজ ৬৮ দিন। ঠিক আছে ধরেই নিলাম, এরা কৃষক নয়। এরা খালিস্তানী। এরা টেররিস্ট। এরা পাকিস্তানী। এরা চীনের মদতপুষ্ট কম্যুনিষ্ট। এরা রাষ্ট্রদ্রোহী। এরা লালকেল্লা ফতে করায় বিশ্বাসী। এরা হিংস্র। এরা পুলিশের উপরে আক্রমণ করতেই পথে পড়ে রয়েছে। এবং এই ধরে নেওয়ার মতো মানুষের সংখ্যাটাও কম নয়। বরং বেশিই। বিশেষ বিশেষ সংবাদ মাধ্যম ছাড়া খবরও দেখব না, পড়বোও না। এবং মানবোও না। অর্থাৎ আমরা দেশপ্রেমী। ঠিক এমনটিই ভাবতে চান অনেকেই। এবং সেই দেশপ্রেমীরাই একমাত্র বাছা বাছা সংবাদ মাধ্যম প্রচারিত সংবাদ ছাড়া, অন্য কোন সংবাদে বিশ্বাসী নয়। দেশপ্রমীরাই একমাত্র বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের অন্ধভক্ত। এবং বাকি সকলেই কম বেশি, সময় অসময়ে রাষ্ট্রদ্রোহের সাথে যুক্ত। না, বিশেষ একটি দলের সমর্থকরা কখনোই রাষ্ট্রদ্রোহী হতেই পারে না। কারণ সেই বিশেষ দলটিই ক্ষমতায়। এবং সকল ক্ষমতা তাদেরই কুক্ষিগত। ফলে ক্ষমতার বৃত্তে থাকাটাই বর্তমানে দেশপ্রমের চুড়ান্ত দৃষ্টান্ত। ক্ষমতার বাইরে থাকলেই কিংবা ক্ষমতার বিরুদ্ধে যাওয়াই রাষ্ট্রদ্রোহের নামান্তর।


দিল্লীর সীমান্তে অবস্থানরত ভারতীয় কৃষক সমাজ আজ সেই ক্ষমতার বিরুদ্ধেই গর্জে উঠছে। ফলে তারাই রাষ্ট্রদ্রোহের সাথে যুক্ত। তারা ক্ষমতার বাইরে রয়েছে। এবং ক্ষমতার অঙ্গুলি হেলনের বিরুদ্ধেই গর্জে উঠেছে। কিন্তু যারা ক্ষমতার সমর্থনে অন্ধভক্ত, তারা অবস্থানরত কৃষকদের কথায় বিশ্বাসী নন। বরং বাছা বাছা সংবাদ মাধ্যমের প্রচারিত খবরেই তাদের একমাত্র ভরসা। সেই বিশ্বাসী জনতার উদ্দেশে ক্ষমতার উঁচু বেদী থেকে প্রতিদিন যেসকল মন্ত্র বিতরণ করা হয়, সেই সকল মন্ত্রগুলিই তারা অষ্টপ্রহর জপতে থাকেন। এবং সেটাই কিন্তু দেশপ্রেমের নতুন সঙ্গা। তাদের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা, দুই চোখ খোলা রাখবো না কখনো। চিন্তা করবো না কখনো। পড়া মুখস্থ করার মতো প্রতিদিন টিভির সামনে বসবো এবং আমাদের উদ্দেশে প্রচারিত খবর ও মন্ত্রগুলি নিয়ম করে মুখস্থ করে নেবো। আর সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন অন্ধ হয়ে চলি।


সত্যিই তো তারা কেন কেন্দ্রের আনা নতুন কৃষি আইন পড়তে যাবেন? তারা তো এর আগেও কেন্দ্রের আনা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ পড়তে যাননি। আর যাবেনই বা কেন? তারা কি দেশপ্রেমী নন? তদের দেশপ্রেমে কি কারুর সন্দেহ রয়েছে? তারা শুধু জানেন একটাই কথা। চোখকান বুঁজে ক্ষমতাসীন দলের কথা প্রাণপণে বিশ্বাস করে যাওয়াই দেশপ্রেম। না, সেই দেশপ্রেম থেকে একচুলও সরে যাওয়া যাবে না। কেনই বা সরবেন? প্রথম থেকে যেখানে বলাই হচ্ছে, যা করা হচ্ছে দেশের ভালোর জন্যেই করা হচ্ছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনই হোক আর কৃষি আইনই হোক। এরপরে আর তো কোন কথা ওঠাই উচিৎ নয়। বরং কথা উঠলে সেটাই তো রাষ্ট্রদ্রোহের নামান্তর। আর শুধু রাষ্ট্রদ্রোহই বা কেন? গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনে বিজয়ী একটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা তো গণতন্ত্রের বিরোধীতা করারই নামান্তর। তাই যারা গণতন্ত্রপ্রেমী গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ। তাদের প্রধান কর্তব্য কি? তাদের প্রধান কর্তব্য হলো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারের সমর্থনে থেকে সরকারে প্রতিটি পদক্ষেপকে কায়মনোবাক্যে সমর্থন করে যাওয়া। সেটাই গণতন্ত্রের প্রথম কথা। এবং সেই গণতান্ত্রিক পথেই নিজ দেশের সরকারের সমর্থনে অন্ধভক্ত হয়ে ওঠাই কি প্রকৃত দেশপ্রেম নয়?


তাই যারা প্রকৃত দেশপ্রেমী। যারা ক্ষমতার কেন্দ্রে অধিষ্ঠিত সরকারের অন্ধভক্ত। তারা তো খুব স্বাভাবিক ভাবেই সরকার বিরোধী আন্দোলনগুলিকে দেশবিরোধী চক্রান্ত বলে চিহ্নিত করবে। ঠিক যেমনটা প্রতিদিনের টিভিক্লাসে কিংবা হোয়াটসআপ ইউনিভার্সিটিতে শিখিয়ে দেওয় হয়। বিশেষ যত্ন করে। এবং প্রতিদিনের হোমটাস্কগুলি বাধ্য শিক্ষার্থীর মতো মুখস্থ করে তবেই তো সরকারের আনা নতুন নতুন আইনগুলির দিকে তাকিয়ে দেখা উচিৎ।


ঠিক এই কারণেই অনেকেই জেনে গিয়েছেন নতুন এই কৃষি আইন কৃষকদের ভালোর জন্যেই আনা হয়েছে। তাই সেই আইন নিজের চোখে পড়ে দেখারও কোন দরকার নাই। নিজের মাথা খাঠিয়ে সেই আইন বুঝতে যাওয়ারও কোন প্রয়োজন নাই। অযথা সময় নষ্ট না করে বরং সরকারের কথায় নিয়ম করে ওঠবোস করাটাই প্রকৃত দেশপ্রেমীকের কর্তব্য। তাই আজ যারা বলছে এই আইন কৃষকদের সর্বনাশ ডেকে আনবে, তাদের কথা শুনতেই বা হবে কেন? আর মানতেই বা হবে কেন? কি অদ্ভুত দাবি?


কি অদ্ভুত কথা? এই আইন নাকি কৃষকদের কাছ থেকে তাদের জমি ছিনিয়ে নেবে। কই আইনের কোন ধারায় জমি ছিনিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে? কেউ বলছে, এই আইন দেশের রেশন ব্যবস্থা তুলে দেবে। আছে নাকি সেকথা এই আইনের কোন ধারা উপধারায়? এই আইন নাকি কৃষকদের মজদুরে পরিণত করবে। কি কষ্টকল্পনা! এই আইন নাকি সব পণ্যের মূল্য আকাশছোঁয়া করে দেবে। এই আইনের কোথাও লেখা আছে নাকি সেকথা? আইনে যে কথা লেখাই নাই, একদল সেইসব কথা প্রচার করে চলেছে। এটাই কি রাষ্ট্রদ্রোহ নয়? এই কথা তুললেই আবার বলা হচ্ছে, এই আইন বলবৎ হলে নাকি এই সব ঘটনাই ঘটবে।


ওরা বলছে, এই কৃষি আইন শুধু কৃষকেরই সর্বনাশ ডেকে আনবে না, সাধারণ মানুষের জীবনেও নাকি নাভিশ্বাস উঠবে। কৃষিপণ্যের ম্যূল্যের উপরে সরকারের আর কোন নিয়ন্ত্রণই থাকবে না। আরে, এর থেকে ভালো আর কি উপহার দিতে পারে একটা সরকার। সরকারের এই নিয়ন্ত্রণ উঠিয়ে নেওয়াই তো প্রমাণ করে, কতটা জনদরদী এই সরকার। সে কোন কিছুই আর নিজের নিয়ন্ত্রণে ধরে রাখতে চায় না। দেশবাসীর হাতেই সকল নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতে চায়। এমন দেশপ্রেমী জনদরদী সরকার বিশ্বে আর কয়টি রয়েছে? না, একথা শুনলেই এরা আবার হই হই করে বলতে শুরু করে দেবে, আদানী আম্বানীর কথা। কৃষি ও কৃষিপণ্যের সব নিয়ন্ত্রণ নাকি আদানী আম্বানী সহ অন্যান্য বহুজাতিক সংস্থাগুলির হাতে উঠে যাবে। আরে, আদানী আম্বানী কি ভারতীয় নয়? তারা কি এই দেশে বসবাস করে না? নাকি বহুজাতিক সংস্থাগুলিতে ভারতীয়দের শেয়ার নাই? নাকি সেই সব সংস্থায় ভারতীয়রা কাজ করে না?


সরকার তো বলেই দিয়েছে, কৃষক এখন থেকে যেকোন বাজারে যেকোন মূল্যে তার উৎপন্ন ফসল বিক্রয় করতে পারবে। আর কোন রকম সরকারী বাধা বা আইনী বাধা থাকবে না। কৃষক কয় বছরেই ধনী হয়ে উঠবে। সেই কথায় অবিশ্বাস? ধর্মে সইবে? শুধুই কি তাই? কৃষককে জমিতে ফসল ফলানোর জন্য কর্পোরেট সংস্থাগুলিই সব রকমের সহায়তা দেবে। এমনকি জমিতে ফসল উৎপন্ন হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট মূল্যে ফসল কেনার চুক্তি করে ফেলবে। ফলে উৎপন্ন ফসল বিক্রী করা নিয়ে কৃষকের আর কোন চিন্তাই থাকবে না। আর এরা এদিকে বলে বেড়াচ্ছে, ভয় দেখিয়ে বেড়াচ্ছে কৃষকের সর্বনাশ হয়ে যাবে এই চুক্তি চাষে। কৃষকের নাকি জমি চলে যাবে কর্পোরেট সংস্থাগুলির হাতেই। কি আশ্চর্য্য যুক্তি এদের! কর্পোরেট সংস্থাগুলি কৃষকদের পিছনে কোটি কোটি টাকা ঢালবে, আর উৎপন্ন ফসলের গুণমান দেখে নেবে না? তাই হয়। যারা সেই ফসল কিনবেন, কর্পোরেট সংস্থাগুলির কাছ থেকেই তো কিনবেন। তারা কি কেনার সময় ফসলের গুণমান দেখেই কিনবেন না? তবে? ফসলের গুণমান কেমন হবে, সেটা তো কৃষকের সাথে চুক্তির সময়েই ঠিক হয়ে যাবে। কৃষকের স্বাক্ষরও থাকবে সেই চুক্তিতে। তবেই না চুক্তি হবে। এখন যদি অনাবৃষ্টি কি বন্যা হয়। তার জন্য তো কর্পোরেট সংস্থাগুলি দায়ী থাকবে না। তাদের তো তাদের লগ্নীর টাকা তুলে নিতে হবে নাকি? নাহলে তাদের ব্যবাসা চলবে কি করে? চুক্তিমত ফসল উৎপন্ন না হলে, তারাই বা সেই ফসল কিনবে কেন চুক্তি করা কৃষকের কাছ থেকে? কিন্তু ফসল না কিনলেও তো, কৃষকের পিছনে তাদের লগ্নী করা অর্থমূল্য ফিরিয়ে দিতে হবে কৃষককে। ভদ্রলোকের চুক্তি তো তাই বলে। এখন কৃষক সেই টাকা কোথা থেকে কিভাবে জোগার করবে, সেটা তো কৃষকের ব্যক্তিগত বিষয়। সেখানে তো আর কর্পোরেট সংস্থাগুলি কোন খবরদারি করতে যাবে না। এখন সেই টাকা অন্য কারুর কাছ থেকে ধার করে শোধ করবে নাকি, কর্পোরেট সংস্থার কাছে নিজ জমি বন্ধক রেখে দেনা শোধ করবে, সেই বিষয়টি তো কৃষকের ব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয়। সেই বিষয়ে সরকার কিংব কর্পোরেট সংস্থাগুলি তো আর কৃষকের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে যাচ্ছে না। আইনে কোথাও তো তেমন কথা লেখাও নাই। অথচ বলা হচ্ছে কৃষকের জমি ছিনিয়ে নেওয়া হবে। জমি বন্ধক রাখা আর জমি ছিনিয়ে নেওয়া এক হলো? একজন তখনই জমি বন্ধক রাখে, যখন সে স্বেচ্ছায় বন্ধক রাখতে চায়। সেটি তার ব্যক্তি স্বাধীনতার প্রশ্ন। তাকে তো জমি বন্ধক রাখার জন্য কেউ বাধ্য করছে না। সে যেখান থেকে হোক টাকা এনে কর্পোরেট সংস্থাকে চুক্তিমত ফিরিয়ে দিলেই হলো। এখন যদি অধিকাংশ কৃষকই কর্পোরেট সংস্থাগুলির কাছে জমি বন্ধক রেখে দেনা শোধ করে, তবে সেটা আইনের দোষ না কৃষকের দায়, কোনটা? সেই দেনার উপরে আরও দেনা চাপলে, সেটা তো কৃষকের দুর্ভাগ্য। তাতে সরকারকে বা কর্পোরেট সংস্থাগুলিকে দায়ী করাটাই তো অন্যায়। দেনার দায়ে জমি হারালে সেখানে সরকার কি করবে? আর কর্পোরেট সংস্থাগুলি যদি তাদের লগ্নীর টাকা সুদে আসলে উসুল করে নিতে না পারে, তবে তাদের ব্যবসাই বা চলবে কি করে? সেটা তো আর হতে পারে না। তাই কৃষি আইনকে দায়ী করাটাই তো অন্যায়। এমন সুন্দর কৃষি আইন, জনদরদী কৃষকদরদী সরকার না হলে এভাবে জোর করে বলপূর্বক উপহার দিতে পারে কখনো? সরকারের অভিপ্রায় সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল হতে হবে না?


বলা হচ্ছে কৃষকরা উৎপন্ন ফসলের উপরে ন্যূনতম সমর্থন মূল্য পাবে না। আরে এটা কোন কাজের কথা হলো? প্রতিযোগিতার বাজারে কৃষক তার উৎপন্ন ফসলের উপরে যে দাম পাবে, সেটাই তো তার পাওনা। এইভাবেই তো প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হয় নাকি। বরং কৃষিপন্যের উপরে ন্যূনতম সমর্থন মূল্য নির্ধারণ করা মানেই তো প্রতিযোগিতার বাজারে সরকারী হস্তক্ষেপ। যারা উৎপন্ন ফসল কিনবে, তারা তো বাজার মূল্যেই কিনতে চাইবে? আর বাজারের মূল্য নির্ধারণ হয় তো প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই। সেখানে বাজার মূল্য থেকে বেশি দামে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারিত হলে বাজার থেকে ক্রেতাই যদি উধাও হয়ে যায়, তবে কৃষক কার কাছে উৎপন্ন ফসল বিক্রী করবে? সেটাও তো ভেবে দেখতে হবে। আর আমাদের জনদরদী কৃষকদরদী সরকার সেই সব ভেবেই তো ন্যূনতম সহায়ক মূল্য তুলে দিতে এই আইন নিয়ে এসেছে। এতে আদানী আম্বানীদের ভিতরে প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়েই তো কৃষক তার ন্যায্য দাম পাবে। আগে থেকেই কর্পোরেট মনোপলি বলে স্বর চড়ালেই হবে? বাজারের দিকটাও তো দেখতে হবে। আর বাজার কাদের হাতে? কর্পোরেট সংস্থার হাতেই নয় কি? তাই তাদের স্বার্থের দিকটাও তো সরকারকে দেখতে হবে। তারা যদি মুনাফাই না করতে পারে, তবে বাজারে ঢুকবেই বা কেন?


আর সেই মুনাফা নিশ্চিত করতেই সরকার প্রশংসনীয় দুটি কাজ করেছেন। আইন করে তেইশটি পণ্যকেও অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তলিকা থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছেন। এবং পণ্য মজুতের ঊর্ধসীমাও উঠিয়ে নিয়েছেন। ফলে কর্পোরেট সংস্থাগুলি এখন থেকে ইচ্ছামত মূল্য নির্ধারণ করেই সর্বোচ্চ মুনাফা নিশ্চিত করতে পারবে। আর কর্পোরেট সংস্থাগুলির স্বার্থ রক্ষার এই বিষয়টিই সহ্য হচ্ছে না কৃষকদের। তাই তারা অযথা জল ঘোলা করে কর্পোরেট সংস্থাগুলির স্বার্থহানী করতেই পথে নেমেছে। আসলে তাদের লক্ষ্য কৃষি আইন নয়। কর্পোরেট সংস্থাগুলির স্বার্থহানী। যেহেতু সরকার কর্পোরেটদের পাশে রয়েছে, তাই তারা সরকারের উপেরই চোট দেখাচ্ছে। ভাবছে সরকারকে বেকায়দায় ফলে কর্পোরেটদের লাভে গুড়ে জল ঢেলে দেবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এ বাহান্ন ইঞ্চির সরকার। কাজটা এত সহজ হবে না। আর বিশেষ করে যেখানে সরকারের পাশে রয়েছে সরকারী ঠুলি পড়ে থাকা এক বিশাল জনতা।


১লা ফেব্রুয়ারী’ ২০২১


কপিরাইট শ্রীশুভ্র কর্তৃক সংরক্ষিত