সংখ্যালঘু বাঙালি



সংখ্যালঘু বাঙালি

না, পশ্চিমবঙ্গকে আর বাঙালির রাজ্য বলার উপায় নাই। ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসাবে একটি প্রান্তিক অবস্থানে পর্যবসিত মিনি ভারত আজকের এই পশ্চিমবঙ্গ। অনেকেই অবশ্য তাতে যথেষ্ঠই শ্লাঘা বোধ করেন। বিশেষত যারা নিজেদের বাঙালি পরিচয়ের প্রাদেশিকতাকে অস্বীকার করতেই ভারতীয়ত্বের গর্ব নিয়ে অহংকার করে থাকেন। তাঁরা মহামানব সন্দেহ নাই। বাঙালি হয়েও বাঙালিত্ব নিয়ে সর্বদা লজ্জিত। দেশভাগের পর আজকের বাংলাদেশের বাঙালিরা তাঁদের কাছে অস্পৃশ্য বিদেশী। নিজেদের ভারতীয় সংস্কৃতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সারা ভারতের যে কোন জাতির মানুষই যাদের কাছে আপন স্বদেশী বলে বিবেচিত। আপনার। সেই বাঙালিদের অবশ্য আজকের এই পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে গর্বের অন্ত নাই। এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি। যেখানে ভারতের প্রায় সব রাজ্যের মানুষই আপন আপন ভাষা ও সংস্কৃতির নিরঙ্কুশ চর্চা করেই পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে পারে। বঙ্গসংস্কৃতি চর্চার পরিসর তাতে যদি দিনে দিনে সঙ্কুচিত হয়ে ওঠে ক্ষতি কি? বরং সারা ভারতে বাঙালি স্বগর্বে বলতে পারবে, দেখ আমরা সকলকেই নারায়ন জ্ঞানে কেমন আপন জায়গা জমি ছেড়ে দিতে পারি। আমরাই পারি কত সহজে পরজাতির সংস্কৃতিকে আপন করে নিয়ে আপন সংস্কৃতিকে কোণঠাসা করে তুলতে। আমরা পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয়রাই প্রকৃত অর্থে খাঁটি ভারতীয় হয়ে উঠছি দিনে দিনে। যেখানে একদিন আমাদের বাঙালিত্বের শিকড়কে নির্মূল করে দিয়েই ভারতীয় পরিচয়ে সম্পূর্ণ হয়ে উঠবো আমরা। হ্যাঁ এটাই এপার বাংলার আপামর বাঙালির সাধারণ সাধনা। সেই পথেই এগিয়ে চলেছি আমরা সদর্পে। দৃঢ় পদক্ষেপে। তাই পশ্চিমবঙ্গের জায়গা জমির মালিকানা বাঙালির না অবাঙালির হাতে থাকলো, সেটি কোন চিন্তার বিষয় নয়। পশ্চিমবঙ্গে প্রতিবছর সারা ভারত থেকে কি পরিমাণে অনুপ্রবেশ ঘটছে, সেই হিসাবও অবান্তর। কে বলেছে পশ্চিমবঙ্গের অধিকার কেবলমাত্র বাঙালির? এই রাজ্য প্রতিটি ভারতীয়ের। সকলেরই সমান অধিকার আছে এই রাজ্যের দখল নিয়ে নেওয়ার।

রাজ্যের অর্থনীতি তো এমনিতেই কোনদিন বাঙালির দখলে ছিলই না। ফলে সে বিষয়ে আর নতুন করে বিলাপের কোন মানেই হয় না। বরং ভেবে দেখুন, কি ভাগ্যিস অবাঙালিরাই আমাদের অর্থনীতির ভার নিয়ে নিয়েছে, নয়তো কি অবস্থা হতো আমাদের? কি অবস্থা হতো বাঙালি কবি সাহিত্যিক সঙ্গীত শিল্পী অভিনেতা অভিনেত্রী পরিচালকদের? কে জোগাতো অর্থ? কি অবস্থা হতো মধ্যবিত্ত বেসরকারী চাকুরীজীবীদের? সরকার কজনকে চাকরী দিত? কি অবস্থা হতো কলকারখানার শ্রমিকদের? সবাইকেই তো আবার হাল লাঙ্গল ধরতে হতো না কি? তাহলেই ভেবে দেখুন গোটা অর্থনীতির শিল্পবাণিজ্যের ভারটাই অবাঙালিরা নিয়ে নিয়েছে বলেই না হয়, নিশ্চিন্তে দুবেলা খেয়ে পড়ে বাঁচছে বাঙালি?

প্রশাসন থেকে প্রতিরক্ষা, সেনাবাহিনী থেকে আধাসামরিক বাহিনী সর্বত্র তাকিয়ে দেখুন, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের প্রায় সবাই অবাঙালি। প্রতিদিন কি তৎপরতার সাথেই না বিদেশী অনুপ্রবেশ থেকে রক্ষা করছে আমাদের বাঙালিদেরকে। নাহলে আজকের এই পশ্চিমবঙ্গ আসলেই বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকদের অধীনে চলে যেত কবেই। রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের প্রায় অধিকাংশ শীর্ষকর্তাই তো অবাঙালি। দিনে দিনে যে সংখ্যাটি বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রুত। হ্যাঁ আর এই অবাঙালি কর্তাদের ছত্রছায়াতেই না নিশ্চিন্তে রয়েছে বাঙালি কনস্টেবল হোমগার্ড থেকে থানাগুলির ছোটবাবু মেজোবাবু কমবেশি বড়বাবুরাই। শুধু কি পুলিশ প্রশাসনেই অবাঙালিরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে? অধিকাংশ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দপ্তরগুলিতেও কি তাঁদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে না দ্রুত থেকে দ্রুততর ভাবে? পাচ্ছেই তো, পাবারই কথা যে। তাঁরা যে নিজ নিজ মাতৃভাষাতেই অধিকাংশ পরীক্ষা দিয়ে কৃতকার্য হয়ে আসছেন। আর আমাদের বাঙালি ছেলেমেয়েদের অবস্থা দেখুন, এক দিকে ইংলিশ মিডিয়ামের বইয়ের বোঝা আর একদিকে বাবা মায়ের নিরন্তর চাপের মধ্যে এ বি সি ডি মুখস্থ করতে করতেই নাজেহাল। কি করে পারবে বলুন তো প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে? না না, কই, অনেকেই পারছেও তো। টিভি জুড়ে পাবলিক পরীক্ষাগুলিতে ইংলিশ মিডিয়াম ছাত্রছাত্রীদের মেধাতালিকায় রমরমা দেখছেন না? বাবা মায়ের সেই গৌরবোজ্জ্বল চোখে মুখে পরিতৃপ্তির ঝলকের উপছিয়ে পড়া খুশির বন্যা। দেখননি, তবে? আসলে সেই সব হাতে গোনা মেধাবী ছেলেমেয়েরা কি আর রাজ্য প্রশাসনের অলিন্দে আটকিয়ে থাকবে মশাই? তাদের টিকিট তো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ থেকে হার্ভার্ড বার্কলেতে কনফার্মড! ফলে আমার আপনার সামনে মুখোমুখি ছড়ি ঘোরানোর জন্যে কিন্তু সেই অবাঙালি আধিকারিকদেরই সংখ্যাধিক্য দিনে দিনে। সুনিশ্চিত ভাবেই। না শুধু সেখানেই থেমে নেই অবাঙালিদের আধিপত্য। শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের দিকে তাকিয়ে দেখুন না একবার। এই বাংলার গোটা শিল্পাঞ্চলের ছবিটা। কলকারখানার রোজকার চাকা কারা ঘুরিয়ে আসছে আজ অব্দি? সেই তো অবাঙালি মুটে মজুর শ্রমিকরাই। তাদের মেহনতের উপরেই না দায়িত্ব, আজকের কলকারখানার যেটুকু অবশিষ্ট পড়ে আছে সেকয়টিরও চাকা ঠিকমত ঘোরাতে থাকার। তারা করছেও সেই কাজ অক্লান্ত ভাবেই। বরং তাদের দরদী সংস্পর্শেই তাদের বাঙালি সহকর্মীরাও কেমন দিনে দিনে অবাঙালি হয়ে উঠেছে, দেখতে হলে আপনাকেও লাইন দিয়ে ঢুকতে হবে কলকারখানাগুলির গেট খুললে সকালের ভেঁপু বাজার সাথেই।

সারা রাজ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাঙালি অবাঙালিদের গড় অনুপাতের পার্থক্য কতখানি, জানি কি আমরা আদৌ? এরাজ্যের জায়গা জমি সম্পত্তির মালিকানায় বাঙালি অবাঙালির অনুপাতই বা ঠিক কিরকম? কে জানিয়ে দেবে আসল অনুপাতের সঠিক ছবিটি? কিংবা রাজ্যে নথিভুক্ত বেকারের সংখ্যায় বাঙালি অবাঙালির অনুপাত। জানা আছে কারুর? না এই সব পরিসংখ্যানতত্ব নিয়ে বাঙালির কোন মাথাব্যাথা নাই। স্বাধীনতার আগেও কোনদিন ছিল না। পরে তো নয়ই। অনেকেই রে রে করে প্রতিবাদে তেড়ে উঠবেন। এসব কি কথা? আমাদের রাজ্যে এসব প্রাদেশিকতা বরদাস্ত করা হবে না। আপনি নিশ্চিত জানবেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় নিরানব্বই শতাংশই কিন্তু জাতে বাঙালি। সেই দলে আমি আপনি কে আছি আর কে নাই, বাছতে গেলে গাঁ উজার।

এবার আসুন বাংলার উৎসবের দিকে। আবহমান কালব্যাপি সময়সীমায় বাংলা ও বাঙালির উৎসবের মধ্যেই নোঙর ফেলা ছিল, বাঙালির নিজস্বতার। যেখানে বাঙালি হিন্দু, হিন্দু হয়েও গোটা ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের হিন্দুদের থেকে তার ধর্মীয় আচার আচরণ জীবনযাপন পোশাক আসাক থেকে শুরু করে উৎসবে পার্বণে ছিল সম্পূর্ণতই স্বতন্ত্র একটি জাতি। সেই ধারাতেই ধীরে ধীরে থাবা বসানো শুরু হয়ে গিয়েছিল স্বাধীনতার পর পরই। আর এই বিষয়ে সবচেয়ে কার্যকরি প্রভাব ফেলেছিল বোম্বাই মার্কা সিনেমা সংস্কৃতি। তারপর টিভি ও আজকের টিভি সিরিয়ালের হাত ধরে অবাঙালি সংস্কৃতির প্রভাব পড়ছে সর্বাত্মক ভাবেই। কিন্তু সেও তবু চলছিল ধীরে ধীরে বিষক্রিয়ার পর্ব। অতি সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পারস্পরিক জমি দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে হঠাৎই, শুরু হয়েছে নতুন উপদ্রব। অনেকদিনই হলো বাঙালির দোল পথ হারিয়ে ফেলে হারিয়ে গিয়েছে অবাঙালিদের হোলিতে। সারা রাজ্য জুড়েই ধুমধাম করে শুরু হয়ে গিয়েছে গণেশ পুজো থেকে শুরু করে দশেরা, সাথে ধনতেরাস থেকে ছট পুজোর বাড়বাড়ন্ত তো আছেই। এরই সাথে শুরু হয়ে গেল রমানবমীর অস্ত্র মিছিল। কোন দলের কতটা দাপট তার প্রদর্শনীতেই। ফলে এখন বাঙালিকে তার ভারতীয়ত্বের প্রমাণ দিতেই দিনে দিনে এইসব অবাঙালি উৎসবের দিকেই ঝুঁকতে হবে দ্রুতগতিতেই। আর বাঙালি সেই বিষয়ে যথেষ্ট তৎপরতার সাথেই এগিয়ে চলেছে, অবাঙালি স্বদেশীদের হাতের ইশারা ধরেই।

তবু যাদের ভিতর এখনো সুপ্ত আছে বাঙালিত্বের অসংক্রমক ভাইরাস, তাদের অনেকেই ভাবছেন হয়তো, যাক তবু আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রে এখনো বাঙালিদেরই দাপট অব্যাহত। রাজনৈতিক দলগুলির নেতানেত্রী উঠে আসার সাপ্লাই লাইনটা এখনো টিকে আছে। তাই কি? আপনার কি জানা আছে, গত তিন দশকের হিসাবটুকুই যদি ধরা যায়, এই রাজ্যে কতগুলি অবাঙালি স্কুল তৈরী হয়ে গিয়েছে? যেখানে গোটা শিক্ষাক্রমের কোথাও বাঙলার কোন ঠাঁই নাই? হয় ইংরাজী নয় হিন্দী? আপনার আমার কলকাতা মহানগরেই কতগুলি হিন্দী স্কুল চলছে জানেন আপনি? যেখানে বাংলা বাঙালিত্বের কোন ছায়াটুকুও পর্য্যন্ত নাই? এর সাথে যোগ করুন হলদিয়া খড়গপুর দুর্গাপুর আসানসোল রাণীগঞ্জ থেকে মালদহ রায়গঞ্জ শিলিগুড়ি দর্জিলিং। সংখ্যাটি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে জানি তো আমরা ঠিকঠাক? এরই ঠিক পাশাপাশি তাকিয়ে দেখুন, দেখতে পাবেন একের পর এক সরকারী বাংলা স্কুলগুলির দুর্দশা। দিনে দিনে একটির পর একটি উঠে যাচ্ছে কেমন নিঃশব্দে। বাঙালির কোন ভ্রূক্ষেপ নাই। তাতে কি, প্রতিবছরই তো লাফ দিয়ে বাড়ছে ইংরাজী স্কুলের সংখ্যা। ফলে যত বেশি বাংলা স্কুলগুলি বন্ধ হয়ে যেতে থাকবে, তত বেশি করেই অবাঙালির সংখ্যাধিক্য ঘঠতে থাকবে শিক্ষাক্ষেত্রেও। বাংলায় তারাই স্বাগত।

এতো গেল ওপরের দুনিয়ার গল্প। এবার একটু আণ্ডারওয়ার্ল্ডের ছবিটাই যদি দেখতে চাই আমরা, কি দেখতে পাবো? সন্দেহের আছে না কি কোনরকম অবকাশ কারুর মনে? এই রাজ্যের মাফিয়া রাজত্বের চাবিকাঠিটাই তো অবঙালিদের হাতেই। চিরকাল। এ আর নতুন কথা কি? বোমা বন্দুক গুলির মালিক কারা? বরং আজকে তারাই জাতে উঠে গিয়েছে। তাই ছুঁচো মেরে বড়ো একটা হাত গন্ধ করতে দেখা যায় না তাদের। সেই কাজগুলো করতে বাংলার মায়ে তাড়ানো বাপে খেদানো ডানপিটেদের অভাব পড়ে নি মোটেও। বিশেষ করে আজকের রাজনৈতিক জমি দখলের লড়াইতে এই আণ্ডারওয়ার্ল্ডের সহায়তা বিশেষ করেই জরুরী। ফলে অবাঙালি মাফিয়া বাদশাদের সব দিক দিয়েই পৌষমাস এখন এরাজ্যে। আর তাদের হাত ধরেই ধবধবে শাদা পোশাকের রাজনীতির দুনিয়ায় পা রাখতে শুরু করে দিয়েছে অবাঙালিরা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই। প্রতিটি রাজনৈতিক দলই জানে, অবাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জমি দখল করতে হলে অবাঙালি মাফিয়াদের সাহায্য নেওয়া ছাড়া গতি নাই। ফলে নির্বাচনে দলীয় টিকিটের জন্যে সেই সব অঞ্চলে অবাঙালি প্রার্থীদেরই অগ্রাধিকার। হ্যাঁ এই বিষয়ে ডান বাম রাম সব দলেরই নীতি খুবই স্বচ্ছ। কোন ধোঁয়াশাই নাই। ফলে অচিরেই বাংলার রাজনীতিতেও শেষ কথা বলতে শুরু করে দেবে কিন্তু অবাঙালিরাই। না তাতেও বাঙালির কি যায় আসে? রাজনীতিতে বাঙালি কবে আর বেশিদিন ছড়ি ঘুরিয়েছে স্বাধীনতার আগের চার দশক আর পরের সাত দশক ছাড়া? তার আগে হাজার বছর ধরেই তো ভিনদেশী অবাঙালিরাই শাসন চালিয়ে এসেছে বাংলা জুড়ে। এমনকি স্বাধীনতা আন্দোলনেও বাঙালির টিকি কিন্তু ঠিকই বাঁধা ছিল সেই কংগ্রেস, হিন্দুমহাসভা আর মুসলিম লীগের অবাঙালি নেতৃবৃন্দের স্বার্থের কাছেই। দেশভাগ যার প্রত্যক্ষ পরিণতি। ফলে রাজ্যরাজনীতির চাবিকাঠিও অবাঙালিদের হাতে চলে গেলে বাঙালির কিছুই এসে যাবে না তাতে। বাঙালি তখন অবাঙালি নেতানেত্রীদের কথা মতোই ওঠবোস করবে ক্ষতি কি? ব্রিটিশ আমলে করে নি? আজও কি করছে না? অধিকাংশ রাজনৈতিক দলেরই হাইকম্যাণ্ড তো দিল্লীতেই। ভোটের ময়দানে অবাঙালি নেতানেত্রীদেরকে উড়িয়ে নিয়ে এসে রাজ্যবাসীকে রাজনীতির পাঠ দিতে হয় না কি? এও তো নয় কোন নতুন ঘটনা। ফলে, রাজ্য রাজনীতির সীমানাতেও যদি অবাঙালির গোলামী করতেই হয়, বাঙালি কি পিছিয়ে যেতে পারে কখনো? না, কখনোই নয়।

কপিরাইট শ্রীশুভ্র কর্তৃক সংরক্ষিত