দর্পণে শ্রীমুখ

 

তোড়া তোড়া নোটের বাণ্ডিল। থোকা থো‌কা সোনার গহনা। এবেলা ওবেলা নিত্য নতুন ফ্ল্যাটের সংখ্যা বৃদ্ধি। বিঘে বিঘে জমি। জেলায় জেলায় বাগান বাড়ি। কে পর এক বান্ধবী। সকলের নামেই একাধিক সম্পত্তি। কেউই বঞ্চিত নয়। যে যেমন বিনোদনের জোগান দিয়েছে। যতটা পরিমাণে আমোদ প্রমোদে ভরিয়ে দিতে পেরেছে। ততধিক পরিমাণে সম্পত্তির মালিক হয়ে গিয়েছে। এ যেন সেই হাতিশালে হাতি আর ঘোড়াশালে ঘোড়া। সিন্দুক ভরা মোহর আর অঙ্গভরা হীরে জহরত। দেশ জোড়া রাজত্ব, আর হারেম ভরা রাণী’র গল্প। ভালোই চলছিল। শক্ত সমর্থ্য হাতে স্টিয়ারিং ধরে অশ্বমেধ ঘোড়া ছুটছিল। বাদ সাধল কিছু বেয়াড়া উকিল আর আদালত। অশ্বমেধের ঘোড়ার লাগাম এখন ইডি’র হাতে। আর হুইলচেয়ারে মন্ত্রী। বান্ধবীর চোখে জল। বাকি বান্ধবীদের কপালে ঘাম। আতঙ্কের প্রহর ইডির কড়া নাড়ার আশঙ্কায়।


বান্ধবী বলেছেন। টাকা তাঁর নয়। হুইলচেয়ার মন্ত্রীও বলেছেন টাকা তাঁর নয়। জনগণও জানে টাকাগুলি কাদের। কারা গোছা গোছা নোটের বাণ্ডিল দিয়ে মেধা তালিকার বেড়া ডিঙিয়ে পিছনের দরজা দিয়ে সরকারী চাকরি হাসিল করে নিয়েছেন। কিভাবে নিয়েছেন। জনগণের কিছুই অজানা নয়। ফলে টাকার মালিকানা নিয়ে কারুর মনের কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই টাকাগুলিই যখন রাজ্যের হেভিওয়েট নেতার প্রিয় বান্ধবীর ফ্ল্যাট থেকে। দক্ষিণ থেকে উত্তরে। উদ্ধার হতে থাকে। দিনের পর দিন। তখন সেই সুপারহিট ব্রেকিং নিউজে হুইলচেয়ারের মন্ত্রী’র ভুমিকা নিয়ে জনগণের মনে কোন সংশয় থাকে না। থাকার কথাও নয়। কিন্তু কথায় বলে ভাঙবে তবু মচকাবে না। ফলে আপনি যদি আশা করে বসে থাকেন। মন্ত্রীমশাই একদিন তাঁর পাপ স্বীকার করে নেবেন। তবেই হয়েছে। সে গুড়ে বালি। মন্ত্রী’র নেত্রীও নিশ্চয়ই হাত গুটিয়ে বসে নেই। আপনিও জানেন। তাঁর হাতে কত লম্বা!। এর আগেও বারংবার রাজ্যবাসী সে প্রমাণ পেয়েছে। ধরে নিন, এবারেও পাবে। কিন্তু মন্ত্রী’র কথা থাক। মন্ত্রী’র নেত্রীর কথা থাক। মন্ত্রীর বান্ধবীদের কথা থাক। প্রিয় বান্ধবীর ভেজা চোখে, আর না পেরে ওঠার হাহাকারের কথা থাক। আজ আসুন। আপনার কথাটি বলুন দেখি!


হ্যাঁ, আপনার নিজের কথা। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। আপনিও আমাদের বাকি সকলের মতো একেবারেই ধোয়া তুলসী পাতা। সেই আপনার কথা বলুন দেখি। আপনি তো বেশ রয়েছেন। নিজের ওয়াল থেকে বন্ধুর ওয়ালে ঘুরে ঘুরে এই কয়দিন হুইলচেয়ার মন্ত্রী আর তাঁর কোটিপতি বান্ধবীদের নিয়ে রগড় তো আর কম করলেন না। ফেসবুক থেকে টুইটার। যেখানে আপনি। সেখানেই রগড়। ছড়া বলুন। ছবি বলুন। মিম বলুন। কমেন্ট বলুন। সবেতেই বাঙালির সেই চিরকালীন রঙ্গরসের ঠাট্টা আর তামাশায় আপনারও তো জুড়ি মেলা ভার। আপনি, সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমের সেই বাবু সম্প্রদায়ের একুশ শতকের বংশধর! ভুল বলিনি নিশ্চয়ই। গত দিনদশক বাঙালি তাঁর ভাঁড়ার উজার করে রঙ্গরসের সে সুনামি বইয়ে দিলো। সেখানে আপনার অবদানও তো কম নয়? কি বলেন!


না, সত্যিই আপনিও কিন্তু ভেবে দেখেননি। একবারের জন্যে হলেও। গোটা একটা দশক জুড়ে এই বাংলার শিক্ষাক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ শূন্যপদ খালি পড়ে রয়েছে। তাতে কারা বঞ্চিত হচ্ছে? আপনাকে প্রশ্ন করলেই আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া হবে। কেন, চাকুরি প্রার্থীরা। কথাটা ভুলও নয়। কিন্তু গোটা একটা দশকের সময় জুড়ে কোন একটি দেশের শিক্ষাক্ষেত্রের লক্ষ লক্ষ শূন্যপদ খালি পড়ে থাকলে প্রথমেই যারা বঞ্চিত হয়। তারাই হলো জাতির ভবিষ্যৎ। জাতির নবীন প্রজন্ম। যারা শিক্ষার্থী। স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। না, এই দৃষ্টিশক্তি আপনার নেই। সেটা হতে পারে না। দৃস্টিশক্তি ছিল নিশ্চয়। কিন্তু তাতে রাজনীতির ছানি পড়ে গিয়েছে। তাতে যুগের ছানি পড়ে গিয়েছে। তাই আপনি প্রথমেই ক্ষয়ক্ষতির মূলে নজর দিতে পারেননি। আপনি দেখছেন। কারা চাকরি পেল না। আপনি দেখতে পেলেন না। একটা দশক ধরে কি ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রে একটা জাতির মেরুদণ্ডকে পক্ষাঘাতে পঙ্গু করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলো। স্কুলের পর স্কুলে কলেজের পর কলেজে শিক্ষা দেওয়ার শিক্ষক নেই। শিক্ষাবর্ষগুলি কিন্তু তাই বলে বসে থাকেনি। ছাত্র এবং ছাত্রীদের বয়সও কিন্তু থেমে থাকেনি। সবই বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু কোটি কোটি ছেলেমেয়ে লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সঠিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। প্রতিটি বছর। দলে দলে শিক্ষক অবসর নিয়েছেন। বয়সের নিয়মে। কিন্তু তাঁদের কাজটি করার জন্য নতুন নতুন শিক্ষক নিযুক্ত হননি। সেই শূন্যপদ প্রেতাত্মার হাহাকারের মতো জাতির সর্বাঙ্গ জুড়ে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর শিক্ষকের অভাবে। পঠন পাঠনের সুযোগের অভাবে যে মস্ত বড়ো ফাঁকটা তৈরী করে দিয়েছে নির্বাচিত সরকার। সেই ফাঁক দিয়েই বছর বছর অশিক্ষিত ছাত্রছাত্রী প্রসব করে গিয়েছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা। এই যে মহা ফাঁকি। সেই ফাঁকিটা আমার আপনার চোখের ঠুলিতে আজ হয়তো ধরা পড়ছে না। পড়লো না। কিন্তু আগামী কয়েক দশকের ভিতরেই এই ফাঁকিটা সমাজের পরতে পরতে যে পক্ষাঘাতের সৃষ্টি করবে। সেই ক্ষত কিন্তু কোন রঙের ঠুলিতেই আটকিয়ে রাখা যাবে না। কোন তর্ক বিতর্ক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি দিয়েও আর ঢেকে রাখা যাবে না। সেই ক্ষত আগামী সময়ে আপনার উত্তরাধিকারীদের জীবনেও ছায়াপাত ঘটাবে। সেদিনের রাজনীতিতে। সেদিনের সংস্কৃতিতে। তখন যদি তাঁরা ক্যালেণ্ডারের পাতা পিছনের দিকে উল্টিয়ে পিছনের দিকে তাকায়? নিজেদের পূর্বপুরুষদের সামাজিক ভুমিকার আজকের এই ওয়াল কালচারের চেহারাটা তাদের বিস্ফোরিত দৃষ্টির সামনে বেআব্রু ভাবে উন্মোচিত হয়ে যায়?


তাঁরা দেখতে পাবে। আজ যখন আমাদের বাড়িতে আগুন লেগেছিল। আমরা তখন আগুন নেভাতে না ছুটে। আগুন আর ছাইয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক ইত্যাদি নিয়ে ঠাট্টা তামাশায় বিভোর ছিলাম। বছরের পর বছর রাজ্যের স্কুল কলেজগুলিতে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক পদে নিয়োগ বন্ধ। আমরা নিশ্চুপ। মেধা তালিকা নিয়ে নেতামন্ত্রীরা বছর বছর লুকোচুরি খেলে চলেছে চাকুরি প্রার্থীদের সাথে। আমাদের মুখে কুলুপ আঁটা। ঘরে ঘরে শিক্ষিত ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষক নিয়োগের চাকরির পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েও বেকার হয়ে বছরের পর বছর পার করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। আমরা নীরব। লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে পরীক্ষার খাতায় একটা আঁচড় না কেটেও একদল ছেলেমেয়ে নেতামন্ত্রীদের নামে জয়ধ্বনি দিতে দিতে সরকারী স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা হয়ে যাচ্ছে। তাতে আমাদের কি? ক্লাসে ক্লাসে অযোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকারা শিক্ষার্থীদের মস্তিষ্কগুলি পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে দিচ্ছে। আমাদের বয়ে গেল। ওদিকে মাসের পর মাস একদল নাছোড়বান্দা চাকুরিপ্রার্থী রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ন্যায্য দাবিতে পথে বসে রয়েছে। সেদিকে আমাদের দৃষ্টি নেই। আমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে। কোন মন্ত্রীর কয়টি বান্ধবী। কে কার উপপত্নী। কোন কোন মেয়ে কোন কোন নেতামন্ত্রী ধরে আখের গোছাতে ব্যস্ত। কোন মন্ত্রী বান্ধবীর সংখ্যায় বাকিদের টেক্কা দিয়ে এগিয়ে গেল। কার বান্ধবী বেশি সুন্দরী। কোন মন্ত্রী’র কয়টি কেলেঙ্কারী। কে পরকীয়ায় বেশি দক্ষ। আদিরসে কে বেশি এগিয়ে। যুবতী তন্বীদের মিছিল কোন মন্ত্রীর দরজায়। কার কয়টি ফ্ল্যাট। কার কয়টি বিদেশী গাড়ী। কার ঘরে কতো কোটি টাকার নোটের বাণ্ডিল পাওয়া গেল। কোন মন্ত্রী আইনকে কিভাবে কাঁচকলা দেখাচ্ছে। জনগণকে বোকা বানাতে কারা বেশি দক্ষ। জনতা চোরেদের পক্ষে। না লুঠেরাদের পক্ষে।


আমরা সেই দিকেই নজর রাখছি। ফলে আপনিও আমাদের মতোই এতেই মজে রঙ্গরসে হাবুডুবু খাচ্ছেন। সবজীর বাজার থেকে মুদীর দোকান। চায়ের ঠেক থেকে বাসের ভীড়। অফিস থেকে বৌয়ের কোল। হাসতে হাসতে গড়াগড়ি। কোন মিমটা বেদম মজার। কোন ছড়াটা অব্যর্থ। সত্যিই বাঙালির মতো রসিক বোধহয় আর কোন জাতিই নয়। একটা সমাজ রাজনীতি আর দুর্নীতির সংক্রমণে পক্ষাঘাতে পঙ্গু হয়ে চলতে পারছে না ঠিক মতো। আর আমরা ল্যাংড়ার চলা নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রুপে মশগুল। রাজনীতি আমদের এমন ভাবেই সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে। যে ঘটনা প্রবাহে। আমদের পথে নেমে গিয়ে প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠার কথা। যে ঘটনা প্রবাহকে সামনে থেকে প্রতিরোধ করার জন্যে সর্বস্ব পণ করে ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা। যে ঘটনা প্রবাহে সকলে মিলে জমাট বেঁধে অসুখের মূল শুদ্ধ চিরকালের মতো উপড়িয়ে ফেলার কথা। সেই ঘটনা প্রবাহে আজকে আমরা আমোদ করছি। সেই ঘটনা প্রবাহের ভিতর থেকেই আমরা বিনোদনের খোরাক জোগাড় করছি। সেই ঘটনা প্রবাহ নিয়ে আমারা আমাদের মেধার খেল দেখাচ্ছি। কার মিম বেশি ইনটেলেকচ্যুয়াল। সেই ঘটনা প্রবাহ নিয়ে আমরা তামাশা করছি। রঙ্গ করছি। আর এই অতলান্ত মুর্খামির প্রতিটি মুহুর্ত বাকি সকলের সাথে শেয়ার করে চলেছি। নেট রেভ্যুলিউশন আমাদের হাতে হাতে প্রত্যেকের জন্য এক একটি ওয়াল দিয়ে রেখেছে। সেই সব মুর্খামি আর্কাইভ করে রাখার জন্য। না তাতে আর লজ্জা কি? আমরা সবাই বেহায়া আমাদের এই মুর্খের স্বর্গে!


জানি। আপনি বলবেন। কেন মানুষ তো পথে নেমেই প্রতিবাদ করছে। করছে বই কি। রাজনৈতিক নেতানেত্রীর পদস্খলনের প্রতিবাদ রাজনৈতিক ব্যানার পতাকা আর রাজনীতির স্বার্থ নিয়ে, রাজনৈতিক দলগুলি করবে বই কি। সেটাই তো তাদের কাজ। কিন্তু আপনি কি করছেন? কি করছি আমি? পথে নেমেছি? নিজের প্রতিবাদটুকু নিজের কন্ঠে নিজের ভাষায় জানান দিয়েছি? দিতে চেয়েছি? নিশ্চয় না। দিতেই যদি চাইতাম। তবে কোন দলকে ভোট দিয়েছি। আর কোন দলকে ভোট দেবো। সেই সূক্ষ্ম হিসাব নিকাশ করে সেই দলের মিছিলের শেষে পা মেলাতে যেতাম না নিশ্চয়। সেই দলের স্ক্রিপ্ট মুখস্ত করে প্রতিবাদের সংলাপ আউড়াতাম না নিশ্চয়। নিজের কথাটা বলতে নিজের কন্ঠের উপরেই ভরসা করতে পারতাম। এক এক করে নিজেরা সমবেত হওয়ার চেষ্টা করতাম। হাতে হাতে ধরে ধরে পায়ে পায়ে প্রতিরোধের সরণী গড়ে তুলতে চাইতাম। কিন্তু সেইটুকু করতে গেলে আগে তো টের পেতে হবে। পোড়া গন্ধটা আমারই গৃহের। আমারই পাড়ার। পোড়া ক্ষতগুলো আমারই দেহের। আমারই জাতির। না, সেটুকু টের পাওয়ার মতো শিক্ষিত কিন্তু আমি আপনি, আমরা কেউই নই। সেই শিক্ষা অর্জনের পথটুকু হারিয়ে গিয়েছে গত শতকে সত্তর দশকের শেষেই। তারপর থেকে। আর দেশ নয়। জাতি নয়। সমাজ নয়। শুধু আমি ও আমার পরিবারটুকু। তার বাইরে প্রলয় আসুক। সুনামি আসুক। দুনিয়া উচ্ছন্নে যাক। আমার তাতে কি এসে যায়। আমাকে আমারটুকু গুছিয়ে নিতে হবে। গত শতকের সত্তর দশকের শেষ থেকে এই একটি শিক্ষাই আমাদেরকে সংক্রমিত করে তুলেছে। লক্ষ আমাদের সকলের একটিই। আমারটুকু আমাকেই গুছিয়ে নিতে হবে্। আখের গুছিয়ে নেওয়ার সেই সংস্কৃতি। আখের গুছিয়ে নেওয়ার সেই রাজনীতিই আজকের গোটা সিস্টেমটাকে নিয়ন্ত্রীত করছে। আর হুইলচেয়ার মন্ত্রী ও তাঁর প্রিয় বান্ধবীও সেই কাজটাই করেছেন মাত্র। তাই তাঁরা যদি অপরাধী হন। তবে আমি কিংবা আপনি। আমরাও কম অপরাধী নই। অসুখের মূল শুদ্ধ উপড়িয়ে ফেলার সময়ে। আমরা যারা নিজের নিজের আখের গুছিয়ে নিয়ে সফল। তাঁরা আজও রঙ্গরসে নিমজ্জিত। হুইলচেয়ার মন্ত্রী ও তাঁর প্রিয় বান্ধবী নিয়ে আসুন আরও একটু তামাশা হয়ে যাক। এই তামাশাও একদিন শেষ হবে। কিন্তু আমাদের আজকের পাপের ইতিহাস সেদিন কিন্তু মুছে যাবে না। সবটাই আর্কাইভ হয়ে থেকে যাবে আগামীতে। এই বাংলার পক্ষাঘাতগ্রস্ত ইতিহাসের এই পর্বে।


৩১শে জুলাই’ ২০২২

কপিরাইট শ্রীশুভ্র কর্তৃক সংরক্ষিত