গণহত্যার
পদধ্বনি
“We’ll know who is against us not by what they have said but by their silence”. মার্টিন লুথার কিং
গত মাসে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে অনুষ্ঠিত
ধর্ম সংসদে ভারতবর্ষ থেকে মুসলিম বিতারণ ও মুসলিম নিধনের যে শপথ গ্রহণ করা হয়েছিল।
রাষ্ট্রীয় স্তরে দেশপ্রধানের পক্ষ থেকে এখনও এই বিষয়ে নিন্দাসূচক কোন বক্তব্য রাখা
হয়নি। ফলে ধরেই নেওয়া যায়, ধর্ম সংসদের গৃহীত প্রস্তাবনা ও শপথের বিষয়ে রাষ্ট্রীয় স্তরেই
বর্তমান সরকার ও সরকার প্রধানের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। যে প্রস্তাবনা ও শপথের বিষয়
নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা ও বিরোধীতরা ঝড় উঠেছে। সেই বিষয়ে রাষ্ট্র ও তার সরকারের নীরবতা
আসলেই অনেক না বলা কথা বলে দিতে থাকে। এবং নীরবতা যত প্রলম্বিত হতে থাকে। না বলে দেওয়া
কথার স্তুপ ততই পাহাড় প্রমাণ হয়ে উঠতে থাকে। সরকারের প্রধান যতই নিশ্চুপ থাকুন। সরকার
যতই নীরবতা পালন করুক। দেশের ভিতরে ও বাইরে এই নিয়ে ধীরে ধীরে প্রতিবাদের ঝড় কিন্তু
উঠতে শুরু করে দিয়েছে।
সম্প্রতি খবরে প্রকাশ, গত ১২ই জানুয়ারী
মার্কিন কংগ্রেসে ‘জেনোসাইড ওয়াচ’ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান গ্রেগরি স্ট্যান্টন জানান
ভারতবর্ষে গণহত্যা সংঘটনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশে
গণহত্যা সংঘটনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে সময় থাকতেই সংশ্লিষ্ট শাসকবর্গকে সাবধান করে দিয়ে
থাকে। এবং এই বিষয়ে তাদের পারদর্শীতাও নাকি প্রমাণিত। সেই সংস্থারই প্রতিষ্ঠাতা প্রধান
গ্রেগরি স্ট্যান্টন। তিনি মার্কিন কংগ্রেসের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, কংগ্রেস যেন এমন
একটি প্রস্তাবনা গ্রহণ করে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিষয়টি নিয়ে ভারতবর্ষের সরকারকে
সময় থাকতে সাবধান করে দিতে দায়বদ্ধ থাকেন। গ্রেগরি স্ট্যান্টনের কথায়, তিনি চান তাঁর
দেশের রাষ্ট্রপ্রধান জন বাইডেন ভারতসরকারকে এই বলে হুঁশিয়ার করুক যে, ভরতবর্ষ যদি ধর্মীয়
সংখ্যালঘু গণহত্যার দিকেই এগোতে থাকে তবে ভবিষ্যতে ভারত মার্কিণ সম্পর্ক বিন্যাস নিয়ে
তাঁদের নতুন করে মূল্যায়ন করতে হবে। এবং সেই ক্ষেত্রে দুই দেশের বাণিজ্যও সেই পুনর্মূল্যায়নের
বাইরে থাকবে না। অর্থাৎ সরাসরি সাবধান করে দেওয়া। ভারতবর্ষে মুসলিম নিধন শুরু হয়ে গেলে
ধর্মীয় সংখ্যালঘু উৎপীড়ন চলতেই থাকলে প্রয়োজনে ভারতবর্ষকে বয়কট করার দিকেও যেতে হতে
পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে।
গ্রেগরি স্ট্যান্টনের মতে ভারতবর্ষে এখনই
সংখ্যালঘু গণহত্যা শুরু না হলেও, শুরু হওয়ার মতো যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি এই সম্ভাবনার
বিষয়গুলিকে দশটি পর্যায়ে ভাগ করেছেন। তাঁর মতে এই পর্যায়গুলি পরপর সংঘটিত হতে শুরু
করলেই চুড়ান্ত পর্বে গিয়ে সরাসরি সংখ্যালঘু হত্যা শুরু হয়ে যায়। তিনি এও জানিয়েছেন,
ভারতবর্ষে এই গণহত্যা রাষ্ট্র কর্তৃক সংঘটিত হবে না। হবে জনবিক্ষভ তৈরীর মাধ্যমে জনতার
হাত দিয়েই। এবং তাঁরা তারই পূর্ব লক্ষ্মণগুলি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন। সেই দশটি পর্বের
দশরকমের লক্ষ্মণ সম্বন্ধেই তিনি সংশ্লিষ্ট মহলকে সচেতন করতে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন
কংগ্রেসের কাছে।
সেই লক্ষ্মণগুলির প্রথমেই রয়েছে, ‘আমরা’
আর ‘ওরা’ এই দুই শ্রেণীতে পৃথকীকরণ। ওরা আমাদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এবং এই যে ভিন্নতার
ভিত্তিতে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার মানসিকতা। এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি সামাজিক ক্ষতের
সৃষ্টি করতে থাকে। যেটা বিগত সাত বছরে ভারতবর্ষে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে করে দেওয়া সম্ভব
হয়েছে।
দ্বিতীয় লক্ষণ যেটি দেখা যাচ্ছে। সেটি
হলো প্রতীকীকরণ। অর্থাৎ সেই বিখ্যাত ফর্মূলা। ‘পোশাক দেখে মানুষ চেনা’। ধর্মীয় স্থান
দিয়ে, খাদ্যাভাস দিয়ে, কখনো কখনো ভাষা দিয়ে মনুষ ও গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে কোনঠাসা করার
প্রয়াস। এই বিষয়টি তো একেবারেই বলে কয়ে সংঘটিত করা হয়ে আসছে বলতে গেলে এই শতকের শুরু
থেকেই। সেই গুজরাট দাঙ্গার সময় থেকেই। গোধরা দিয়ে যার শুরু।
তৃতীয় লক্ষ্মণ হলো সামাজিক ও রাজনৈতিক
বৈষম্য। এবং সংখ্যালঘুদের এক অংশকে বেনাগরিক করে নাগরিকত্ব হরণ। নাগরিক সংশোধনী আইন
২০১৯ বলবৎ করে যে বিষয়টিতে সরকারী শীলমোহর দেওয়া হয়েছে। যার বিরুদ্ধে গোটা ভারতবর্ষ
ব্যাপী একটা গণ আন্দোলন গড়ে উঠছিল। যে আন্দোলনকে ধামাচাপা দিতেই দিল্লীতে দাঙ্গা লাগানো
হয়। পরবর্তীতে করোনা এসে সরকারের বিশেষ সুবিধে করে দেয় সিএএ বিরোধী আন্দোলনকে বানচাল
করে দিতে।
চতুর্থ লক্ষ্মণ হলে সংখ্যালঘুদের অপমানিত
করতে থাকা। নানান ভাবে নানা ছলে। তাদের মানবিক অস্তিত্বকেই অবজ্ঞা করতে চাওয়া। গোবলয়
জুড়ে যে কাজটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গোমাংস ভক্ষণকে অমানবিক
বলে তুলে ধরা। প্রাকাশ্যে নামাজ পড়ার জন্য জমায়েত হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করা। সংখ্যালঘুদের
বিশেষ নামে দেগে দেওয়া, ইত্যাদি নানান ভাবে লাঞ্ছিত অপমানিত করতে থাকা এবং এই বিষয়গুলি
নিয়েই শহরে নগরে গ্রামেগঞ্জে নিরন্তর সমস্যা তৈরী করা। গুরগাঁওয়ে শুক্রবারের নামাজের
সময় নিরন্তর বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনা সকলেরই জানা। গোবলয়ের বিভিন্ন স্থানে শহর থেকে
গঞ্জে মাংস বিক্রীর দোকান বন্ধ করে দেওয়াও হয়েছে। ফলে এই ঘটনাগুলি এখন প্রতিদিনের বাস্তব
সত্য। এবং ধর্মীয় কিংবা ভাষিক সংখ্যালঘুদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি।
যেমন মুসলিমদের পাকিস্তানে আর বাংলাভাষীদের বাংলাদেশে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। এগুলি ঘটছে।
শুরু হয়ে গিয়েছে।
এরপরের লক্ষ্মণ হলো সাম্প্রদায়িক সংগঠনের
শক্তিবৃদ্ধি। যেমন আরএসএস। তার শাখা সংগঠনগুলি এবং বিশ্বহিন্দু পরিষদ বজরং দল সহ একাধিক
সংগঠনের দৌড়াত্ম বৃদ্ধি। এইগুলি অত্যন্ত গভীর উদ্বেগজনক লক্ষ্মণ। বিশেষ করে যখন আরএসএসের
একজন সদস্যের হাতেই দেশ পরিচালনার ভার তুলে দেওয়া হয়। ভয়ের আরও কারণ হিসাবে গ্রেগরি
স্ট্যান্টন জানাচ্ছেন। সেই দেশপ্রধানেরই যেখানে একটি রাজ্যের প্রধান থাকার সময়ে সাম্প্রদায়িক
দাঙ্গায় নিস্ক্রিয় থাকার ট্র্যাক রেকর্ডও রয়েছে। ফলে এই লক্ষ্মণগুলি অস্বীকার করার
অর্থ আসন্ন প্রলয়ের সময়ে চোখ বন্ধ করে থাকার নামান্তর।
এরপরের লক্ষ্মণ সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের
রাজনীতি। যার প্রভাব সমাজের সর্বত্র পড়তে থাকে। সমাজিক এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক
মেরুকরণের সংস্কৃতি সুদৃঢ় ভিত্তির উপরে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে মিথ্যা প্রচার অবধারিত।
চারিদিকে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে মানুষের ভিতরে বিদ্বেষ গড়ে তোলা। ক্ষমতায় থেকে প্রচার মাধ্যমকে
হাতিয়ার করে নিরন্তর এক পাক্ষিক সংবাদ পরিবেশন করে যাওয়া। মেরুকরণ যত তীব্র এবং সর্বাত্মক
হবে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগিয়ে গণহত্যা শুরু করার কাজ ততই সহজ হয়ে উঠবে। ভারতবর্ষে
বর্তমান সময়ে এই লক্ষ্মণটি বিশেষ ভাবেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় পল্লবিত হয়ে উঠছে দিনে দিনে।
গ্রেগরি স্ট্যান্টন তাঁর বক্তব্যে বিশেষ
করে উল্লেখ করেছেন ‘লাভ জিহাদ’ এর কথা। ধর্মান্তরকরণ বিরোধী আইন প্রণয়নের কথা। অন্য
ধর্মে বিবাহ নিষিদ্ধ করার আইনের কথা। তাঁর মতে এটা ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণের বিষয়। অর্থাৎ
এইভাবে মানবাধিকার বিরোধী আইন প্রণীত হতে থাকলে তার প্রভাব গণহত্যা সংঘটনে সহায়ক হওয়ার
সম্ভাবনা অনেক বেশি। এবং সেটি গভীর উদ্বেগের বিষয়।
গ্রেগরি তাঁর বক্তব্যে পরবর্তী যে লক্ষ্মণটির
উল্লেখ করেছেন। সেটি আর লক্ষ্মণের ভিতরেই সীমাবদ্ধ নেই। সেটি এখন বাস্তব। তিনি বলছেন
নাগরিক পঞ্জীকরণের নামে দেশের নাগরিকের কাছ থেকে তার নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়া মানেই
কাউকে কাউকে বেনাগরিক করে দেওয়ার অভিসন্ধি। এবং গোবলয়ে ইতিমধ্যেই একটি বক্তব্য হাওয়ায়
ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৯৪৭ সালে মুসলিমদের জন্য পাকিস্তান করে দেওয়া হয়েছে। ১৯৭১ সালে
বাঙালিদের জন্য বাংলাদেশ করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, তাদের একটা বড়ো অংশ এখনো কেন ভারতের
ভিতরে রয়ে যাবে? নাগরিকপঞ্জী তৈরীর নাম করে নাগরিকদের নাগরিকত্ব প্রমাণে বাধ্য করার
পিছনে ভারতবর্ষকে মুসলিমমুক্ত ও বাঙালিমুক্ত করার অভিসন্ধি যে নেই, সেকথা জোর দিয়ে
বলার মতো পরিস্থিতি এখনো আসেনি। এবং আসন্ন সময়ে সংখ্যাগুরু ভারতীয়দের মানসিকতায় এই
চিন্তা যদি সাফল্যের সাথে গেঁথে দেওয়া সম্ভব হয়। তাহলে গ্রেগরি স্ট্যান্টনের আশঙ্কা
মত গণহত্যা সংগঠিত হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
সেই সাথেই গ্রেগরি উল্লেখ করছেন, গণপিটুনির
কথা। গত সাত বছরে যার সংখ্যা কেবল বৃদ্ধি পেয়েই চলেছে। তিনি উল্লেখ করছেন ধর্মীয় তথা
সাম্প্রদায়িক অত্যাচার নিপীড়নের কথা। মসজিদ ও গীর্জা আক্রমণ করার মতো ঘটনার কথা। আসামে
১৯ লক্ষ বাঙালির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কথা। কাশ্মীরে মুসলিমদের উপরে সরকারী নিপীড়নের
কথা। তাঁর মতে এই সকল লক্ষ্মণগুলিই একটি দেশে গণহত্যা সংগঠনের সহায়ক হয়ে ওঠে। এবং তিনি
বলছেন বর্তমান ভারতে এই সকল লক্ষ্মণগুলিই দেখা যাচ্ছে। যদিও তিনি বলছেন, তাঁর মানে
এই নয় যে ভারতবর্ষে এই মুহুর্তেই গণহত্যার মতো ঘটনা শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু তিনি যথেষ্ঠই
চিন্তিত। এইভাবে চলতে থাকলে গণহত্যার মতো ঘটনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল হতে থাকে
দিনে দিনে। তিনি এও জানাচ্ছেন। তিনি মনে করেন না ভারতে রাষ্ট্র কর্তৃক গণহত্যা সংঘটিত
হতে পারে। কিন্তু তৈরী করে দেওয়া জনরোষে সংগঠিত জনতার হাত দিয়েই এই গণহত্যা ঘটানো সম্ভব।
আর ভারতবর্ষে তার সম্ভাবনাই প্রবল। তিনি আরও বলছেন। গণহত্যা কেবল একটি ঘটনাই নয়। এটি
একটি প্রক্রিয়া। এবং সেটি আরও বেশি আশঙ্কার।
গ্রেগরি মার্কিন কংগ্রেসের সামনে অত্যন্ত দ্ব্যর্থহীন ভাবে জানিয়েছেন, যদিও এখনই একথা বলা কঠিন। কাশ্মীরে ও আসামে গণহত্যা সংঘটিত হচ্ছে। কিন্তু তাঁর মতে এই দুই অঞ্চলেই গণহত্যা সংগঠিত হওয়ার পূর্ব লক্ষ্মণগুলি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এবং হরিদ্বারের ধর্ম সংসদের মুসলিম নিধনের শপথ পাঠের উল্লেখ করেও তিনি স্পষ্টই বলেছেন যে এটি একটি গুরুতর অপরাধ। এবং এই রকম তীব্র ঘৃণা ছড়ানো ও হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের নিধনে উৎসাহ দেওয়ার ঘটনায় এদের বিচার হওয়া জরুরী। তাঁর কথায় এটাও স্পষ্ট। যে যে লক্ষ্মণগুলি গণহত্যা সংগঠনের দিকে একটা বড়ো অংশের জনতাকে প্ররোচিত করে এগিয়ে নিয়ে যায়। হরিদ্বারের ঘটনা তার অন্তিম পর্যায়ের লক্ষ্মণ বহন করছে। আর ঠিক এই কারণেই আজ ভারতবাসীর সচেতন হয়ে ওঠার দিন। যে করেই হোক দেশকে গণহত্যার অভিমুখ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। মার্কিন কংগ্রেস কি সিদ্ধান্ত নেবে। আর একটি বিদেশী রাষ্ট্রের প্রধান ভারতবর্ষের শাসকবর্গকে কবে ও কতটা ধমকে দেবে। তবে দেশ রক্ষা পাবে। তার জন্য অপেক্ষায় থাকা দেশপ্রেম নয়। বিদেশী রাষ্ট্র নাক না গলালে দেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। এমন ধারণা কোন দেশবাসীর পক্ষেই শুভ নয়। কাঙ্ক্ষিত নয়। নিজের ভুখণ্ডকে যেভাবেই হোক রক্ষা করার দায় দেশবাসীর। ভারতবর্ষের মানুষ সেই সত্য যত তাড়াতাড়ি উপলব্ধি করতে পারবে ততই মঙ্গল। আর উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হলে গুজরাটের দেখানো পথেই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে নারকীয় গণহত্যার সংস্কৃতি। সেদিন হয়তো খুব বেশি দূরেও নয়।
২০শে জানুয়ারী’ ২০২২
কপিরাইট শ্রীশুভ্র কর্তৃক সংরক্ষিত

